• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manifesto

রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বেকার ভাতা! ইস্তাহারে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিজ্ঞা নামে এই ইস্তাহারে দশটি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আবারও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহিলারা সারা জীবন এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আগে ঘোষণা করা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এতে বহু বেকার যুবক-যুবতী উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।কৃষিক্ষেত্রেও বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কৃষির উন্নতির জন্য ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় দুয়ারে চিকিৎসা নামে নতুন প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছয়।প্রবীণদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকেন, ফলে বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনার সমস্যা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। নতুন সাতটি জেলা গঠন এবং পৌরসভার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আবাস প্রকল্পে কাঁচা বাড়িকে পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।পানীয় জলের ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িতে জল পৌঁছেছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন।সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ইস্তাহার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা বাস্তবায়িত হবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! নতুন ইস্তেহারে কী দিচ্ছে তৃণমূল, জানলে অবাক হবেন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এবার নজর তৃণমূলের নতুন ইস্তেহারের দিকে। সূত্রের খবর, ইস্তেহার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই সেটি সামনে আসতে পারে।জানা যাচ্ছে, এবারের ইস্তেহারে সামাজিক সুরক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে। নতুন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এবারের ভোটে তৃণমূল আবারও বাংলা অস্মিতাকে বড় ইস্যু করতে চাইছে। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বাঙালিদের সম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদও করেছেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাংলা-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ এনে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করেছেন তিনি। সেই ধারাই বজায় রাখতে চায় শাসক দল।২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এবার নতুন স্লোগান সামনে এসেছেযে লড়ছে সবার ডাকে, সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল। এখন দেখার, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে এই ইস্তেহার।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

এবার ‘পাড়ায় সমাধান’-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের

আসন্ন পুরনির্বাচনে ইস্তাহারের বদলে উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। যার মূল লক্ষ্যই হল সরকারি পরিষেবাকে আরও নাগরিকমুখী করা। শুক্রবার বিধানগর, শিলিগুড়ি ও চন্দননগর এই তিন জায়গার ইস্তাহার একই সময় প্রকাশে করেছে তৃণমূল। শিলিগুড়িতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। অন্যদিকে চন্দননগরে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল রায়, বিধাননগরে দলের ইস্তাহার প্রকাশে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায় এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।কলকাতার মতো নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিন পুরসভাতেই চালু করা হবে পাড়ায় সমাধান নামে বিশেষ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে রাস্তা থেকে জলনিকাশি যে কোনও সমস্যার ছবি ও তথ্য জিওট্যাগ-সহ আপলোড করা যাবে। ইস্তাহারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ১৪ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হবে।জল নিকাশি ও অন্যান্য পরিষেবায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এলাকার পযর্টন ক্ষেত্রের উন্নয়নেও। এ দিন বিধাননগরে সংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, দলের কেউ যদি ভোট বানচালের চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

TMC-Manifesto: তৃণমূলের ‘১০ দিগন্ত’ উন্নয়নের আশ্বাস

কলকাতার ১০ দিগন্ত।কলকাতা পুরভোটে তথাকথিত ইস্তাহার-এর বদলে নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দিয়ে তার রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। অন্যান্য নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দেওয়া, পুর-প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে নাগরিকের দুয়ারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাসে এক ঝাঁক তৃণমূল নেতার উপস্থিতিতে এই ইস্তাহার প্রকাশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা-সহ দলের প্রার্থীরা।তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সি বলেন, গত ১০ বছর ধরে কলকাতার নাগরিক পরিষেবার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তার আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে এই রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বৃষ্টি হলে জল দাঁড়াবে। কিন্তু সেই জল কত দ্রুত বেরিয়ে যাচ্ছে সেটাই দেখার বিষয়। এই রূপরেখাতে নিকাশি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।এই লক্ষ্যে গঠন করা হবে ওয়ার্ড পরিকল্পক কমিটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিধিত্বে এই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রত্যেক মাসে বৈঠক করবে। এ ছাড়া পুরপ্রতিনিধির অফিসে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল থাকবে। যেখানে ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবেন। একটি নতুন মোবাইল অ্যাপও চালু করা হবে। যে অ্যাপে নাগরিকরা খারাপ রাস্তা, নর্দমা ও পরিষেবা অন্যান্য সমস্যা ছবি-সহ আপলোড করতে করতে পারবেন।একপলকে দেখে নিন কলকাতার ১০ দিগন্তের রূপরেখা : পাড়ায় পাড়ায় তৈরি হবে নিষ্পত্তি সেল। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত সুরাহা করার চেষ্টা হবে। নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি আরও ২০০ টি পাম্প । পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে আরও জোর। ৩০ টি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য সেন্টার তৈরি করবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র মিলবে সম্পূর্ণ অনলাইনে। নাইট শেল্টার বাড়ানোর চেষ্টা। ৮ টি আছে। আরও ৪টি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলকাতার পার্ক, বাজারহাট পরিচ্ছন্নতায় জোর।এ ছাড়াও শহরের মহিলাদের জন্য নিরাপত্তা, শহরের রাস্তায় সবুজায়ন, কলকাতার সংস্কৃতি ও পর্যটনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। গৃহহীনদের জন্য যে আশ্রয়স্থল কলকাতায় রয়েছে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয় এ দিন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Manifesto: 'কলকাতা জিতবে, জিতবে বিজেপি'-তে স্বচ্ছতা-শিক্ষা-সংস্কৃতি

আজ আসন্ন পুরভোটের গেরুয়া শিবিরের ইস্তাহারও প্রকাশিত হয়েছে। রয়েছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বচ্ছতা, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বিজেপির-ইস্তাহারে।আজ ইস্তাহার প্রকাশের সময় শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, কলকাতাতে স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় গ্রিন সিটি,স্মার্ট সিটির রূপ দিতে চায় বঙ্গ বিজেপি। তিনি আরও জানিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন এক দল এই ঘোষণাপত্র তৈরি করেছে।আগামী দিনে স্বচ্ছ ভারত ২.০-র আওতায় কলকাতাকে পরিচ্ছন্ন শহরের তালিকায় শীর্ষস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীরা। ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শহরের প্রতিটি বাড়িতে যাতে শৌচাগার থাকে তা নিশ্চিত করা হবে এবং শহরে সর্বজনীন শৌচাগারের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে। এর পাশাপাশি কলকাতায় কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরু করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে ধাপার মাঠ পরিষ্কার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উপরেও। নাগরিকদের সর্বোত্তম স্বাস্থ্য পরিষেবার অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। শহরের দূষণ মোকাবিলায় ১০ টি স্মগ টাওয়ার বসানো এবং ভুয়ো ভ্যাকসিন চক্রের হাত থেকে নাগরিকদের বাঁচাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাকরণের কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে।বিজেপির পুরভোটের ইস্তেহারের প্রতিশ্রুতিগুলি নিম্নরূপ- ইস্তেহারের নাম দেওয়া হয়েছে কলকাতা জিতবে, জিতবে বিজেপি। পাড়ায় পাড়ায় হবে সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র। হর ঘর জল প্রকল্প ও আম্রুত প্রকল্পে মাধ্যমে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে টিকাকরণ। কলকাতাকে দূষণ মুক্ত করতে ১০টি স্মোগ টাওয়ার তৈরি হবে। বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের বিশেষ ব্যবস্থা। আদিগঙ্গার পুনরজ্জীবন। দুর্গাপুজোর প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন-প্রতিটি ঘটনা তুলে ধরার জন্য জাদুঘর তৈরি হবে। দুর্গাপুজোর প্রধান মণ্ডপগুলি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য থাকবে সরকারি ট্যুর গাইড। রাজ্যের তৃণমূল সরকার দুর্গাপুজোর জন্য একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্লাবগুলিকে আর্থিক সাহায্য করা থেকে প্রতিমা বিসর্জনের সময় কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। পাড়ায়-পাড়ায় সংগীতের শিক্ষাকেন্দ্রে তৈরি হবে। কলকাতা মেট্রো, ট্রেন, ট্রাম, বাস যাত্রীদের জন্য ইউনিফায়েড কার্ড আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Left-Manifesto: প্রার্থী তালিকার পর ইস্তাহারেও অনেকটাই এগিয়ে বামেরা

প্রাথী তালিকা সবার আগেই প্রকাশ করেছিল বামেরা। ইস্তাহারে টিজার, খসড়া এবং চূড়ান্ত প্রকাশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকল বামেরা। জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক লড়াই বিভিন্ন ভাবনার মিশেলের এই ইস্তাহারে বাকিদের অনেকটাই পিছনে ফেলেছে বামেরা।কোভিড কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি উঠোনে পাঠশালা হোক কিংবা শ্রমজীবীদের ক্যান্টিন, রেড ভলান্টিয়ার টিম থেকে শুরু করে বয়স্কদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অ্যাপ বা তৃতীয় লিঙ্গের জন্য বিশেষ ভাবনা, প্রতিটি ইস্যুকেই দেওয়া হয়েছে বাড়তি গুরুত্ব।বাম ইস্তাহারে পরিবেশ ধ্বংস কিংবা খেলার মাঠ নষ্ট, সে সব নিয়ে স্পষ্ট নীতির কথা বলা হয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও প্রতিশ্রুতি পালন করতে চান বাম নেতারা। একইসঙ্গে এক পদ এক ব্যক্তি নীতি কার্যকর করারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মেয়রের হাতেই সব নয়, বরং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ কথা বলা হয়েছে। ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে শ্রমিকদের সুরক্ষার কথাও। কলকাতা পুরনিগমের প্রতিটি ওয়ার্ডে শ্রমজীবী ক্যান্টিন এবং শ্রমজীবী বাজার চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১০০ দিনের কর্মী জন্য দৈনিক মজুরি ন্যূনতম ৩২৭ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি, পুরনিগমের প্রতিটি বরো এলাকায় অন্তত একটি করে নাইট শেল্টার তৈরি করা হবে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষদের জন্য।এ ছাড়া দূষণমুক্ত কলকাতা গড়ার দিকেও নতুন দিশা দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বামেরা। সিএনজি অথবা ইলেকট্রিক বাস চালু করার পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় গ্রিন জোন তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয়েছে । এর পাশাপাশি পুকুর ভরাট কিংবা গাছ কাটার মতো সমস্যগুলির মোকাবিলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বামেরা। প্রতিটি বাজার এলাকায় পরিবেশ বান্ধব ক্যারিব্যাগের স্টোর তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

ইস্তেহারে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসেরও

সোমবার বাংলার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সেখানে রাজ্যের প্রতি পরিবারকে মাসিক মোটা অঙ্কের সরাসরি অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে নারী সুরক্ষা ও শিক্ষার উপর। এদিকে এদিন কংগ্রেসের আরও দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। বিধাননগর আসনটি থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাটোয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন প্রবীর গঙ্গোপাধ্যায়।ছত্তিশগড়ের মডেলেই বাংলায় পরিবার পিছু সরাসরি আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিল কংগ্রেস। তাদের ইস্তেহারে বলা হয়েছে, বঙ্গে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রতি পরিবারকে মাসিক ৫ হাজার ৭০০ টাকা সরাসরি অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, লকডাউনের ফলে বাজারে চাহিদা কমেছে। সেই চাহিদা বাড়াতে প্রতি পরিবারের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া দরকার। বারবার কেন্দ্র সরকারকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আমরাই এই ব্যবস্থা করব। যাতে মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়ে। ফলে বাজারের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। তাতে কর্মসংস্থান বাড়বে। উল্লেখ্য, বামেদের তরফে মাসিক ৯ হাজার টাকা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাধারণ পরিবারকে মাসিক ৫০০ টাকা ও তপসিলি জাতি-উপজাতির পরিবারকে মাসিক হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর বিজেপির তরফে পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি না থাকলেও, মহিলাদের বিনামূল্য পরিবহণ, শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরাসরি আর্থিক সাহায্য ছাড়াও নারী ও মহিলা সুরক্ষায় জোর দিয়েছে কংগ্রেস। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থান ও শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও। এদিন অধীর জানিয়েছেন, কংগ্রেসের তরফে আন্দোলন ডট ইন নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। যেখানে দলের সমর্থক-কর্মীরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত তুলে ধরতে পারেন। রাজনৈতিক মহল বলছে, এবার নির্বাচনে বঙ্গবাসীর মন জয় করতে এবার সব দলই পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কংগ্রেসও সেই পথেই হাঁটল।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

একাধিক প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অমিত শাহ

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা লাগোয়া পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির ইস্তেহারে রয়েছে একাধিক চমক। ইস্তেহার প্রকাশের আগে শাহ বলেন, ইস্তেহার শুনে আমাকে প্রশ্ন করবেন না যে এর টাকা কোথা থেকে আসবে? আমি বণিক পরিবারের সদস্য, পাই পয়সার হিসাব করে ইস্তেহার বানিয়েছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, এটা সংকল্প পত্র। এটা মেনেই বিজেপি সরকার চলবে। সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এই ইস্তেহার। এই ইস্তেহার খুব গুরুত্বপূর্ণ বিজেপির কাছে। বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা চরমে। রাজনীতির দুরবৃত্তায়ণ হয়েছে। বাংলায় ভোট ব্যাংকের রাজনীতি। তৃণমূলের কুশাসনে বাংলার কালো অধ্যায়। এই আমলে পিছিয়ে পড়েছেন মহিলারা।ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি সবসময় সংকল্পপত্রকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে। সংকল্পপত্রের উপর ভিত্তি করেই বিজেপি সরকার চালিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে কীভাবে সোনার বাংলা তৈরি করব, তা এই সংকল্পপত্রে আছে। রাজ্যের মানুষের মতামত নিয়ে সংকল্পপত্র তৈরি হয়েছে। সোনার বাংলা কোনও অলীক কল্পনা নয়। অতীতে বাংলা ভারতের থেকে এগিয়ে থাকত। বাংলা থেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। জনগণমন, বন্দেমাতরমের সৃষ্টি হয়েছে বাংলার মাটিতেই। শিক্ষা, বিজ্ঞান, সাহিত্য সব ক্ষেত্রে বাংলা এগিয়ে ছিল। কিন্তু গত ৭৩ বছর ধরে বাংলা একটু একটু করে পিছিয়ে গিয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে বাম ও মমতার শাসন বাংলাকে পিছিয়ে দিয়েছে। নারীসুরক্ষায় বাংলা আজ পিছিয়ে পড়েছে। গত ১০ বছরে তৃণমূলের কুশাসনে অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে। তোষণ, দুর্নীতি, গোরুপাচার, অনুপ্রবেশ ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। মমতা প্রশাসনের রাজনীতিকরণ করেছেন। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন করেছেন মমতা। পঞ্চায়েত ভোটে মানুষ ভোট দিতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙেছেন মমতা। কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলকে স্বাধীনতার পর থেকে সুযোগ দিয়েছেন। একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন, সোনার বাংলা তৈরি করব।বিজেপি-র ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, রাজ্য সরকারি চাকরিতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ। কিষাণ সম্মান নিধিতে বকেয়া ১৮ হাজার টাকা ব্যাংক ট্রান্সফার। তারপর বছরে ১০ হাজার টাকা প্রতিবছর দেওয়া হবে। মৎস্যজীবীদের বছরে ৬ হাজার টাকা অনুদান। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রত্যেক গরিবকে আনা হবে। অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে। সরস্বতী, দুর্গাপুজোর জন্য আদালতে যেতে হবে না। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আগামী ৫ বছর শরণার্থী পরিবারকে বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান। কেজি থেকে পিজি পর্যন্ত মহিলাদের পঠনপাঠন বিনামূল্যে। সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াত বিনামূল্যে। রাজ্যে আরও ৩টি এইমস তৈরি হবে। ক্ষমতায় এসেই ৭ম বেতন কমিশন বসাব। নোবেল পুরস্কারের মতো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুরস্কার চালু হবে। বিধবাদের পেনশন ১ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার করা হবে। মহিলাদের সুরক্ষায় পুলিশে পৃথক ব্যাটেলিয়ন চালু হবে। কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটির তহবিল তৈরি হবে। মৎস্যজীবীদের জন্য ৩ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনা বিমা। মৎস্যজীবীদের সব নৌকা যন্ত্রচালিত করা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে ১০ হাজার কোটির তহবিল। স্কুল পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের জন্য বিদ্যাসাগরের নামে ২০ হাজার কোটির তহবিল। রাজ্য সরকারি চাকরির জন্য কমন এলিজিবল টেস্ট চালু হবে। শৈলেন মান্না স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি তৈরি করা হবে। আধাসেনায় নারায়ণী সেনা ব্যাটালিয়ন চালু হবে। রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নিশ্চিহ্ন করব। এমএসএমই-তে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টার ছাড়াই ঋণ। শহরে পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটি বরাদ্দ। বাগডোগরা বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের তৈরি হবে। গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানের গড়ে তুলতে ২৫০০ কোটির তহবিল। সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার আবশ্যিক করার চেষ্টা। শান্তিনিকেতনকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা দিতে ১৫০ কোটি বরাদ্দ হবে। বাংলায় মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রশ্ন। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে মনীষীদের জন্য চেয়ার থাকবে।বিজেপির ইস্তেহারে আরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, টলিউডের কলাকুশলীদের সাহায্য করা হবে। রাজ্যে ৯টি পৃথক পর্যটন সার্কিট তৈরি হবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ৫ টাকায় ৩ বেলার আহারের ব্যবস্থা হবে। এসসি, এসটি সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন প্রক্রিয়া চালু হবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হবে। চা বাগানের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩৫০ করা হবে। আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য মডেল স্কুল তৈরি হবে। কলকাতার উন্নয়নে ২২ হাজার কোটির তহবিল। কালীঘাটের আদিগঙ্গার সংস্কার করা হবে।

মার্চ ২১, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি

নির্বাচনের আগে ইস্তেহার নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসল বিজেপির ইস্তাহার বিষয়ক কমিটি। বৃহস্পতিবার শহরের একটি হোটেলে তারা বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ দলের ১৪ জন সাংসদ। সাধারণত ভোটের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় ইস্তাহার তৈরির প্রক্রিয়া। তবে অপেক্ষা করতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ ইস্তাহার বিষয়ক কমিটির সুভাষ সরকার, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও অসীম ঘোষ। হাজির হন ১৪ জন সাংসদ। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নথিবদ্ধ করা হয়েছে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের অভাব-অভিযোগ। এ দিনই দিলীপ ঘোষ ডাক দিয়েছেন, সবাই মিলে লড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। সংবিধান দিবস নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নাম দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই সাংসদ। আমাদের দিলীপদা ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির

সামনেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে তাতে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্পপত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হল ক্ষমতায় ফিরলে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা এবং বিহারবাসীর জন্য ১৯ লক্ষ চাকরি। এছাড়াও, ৩ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, বিহারকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলা, এক কোটি মহিলাকে আত্মনির্ভর করা সহ বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের তিনি এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, বিহারের বৃদ্ধি ভারতের বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি ভোটারদের এনডিএর মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নীতীশ কুমারের সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের

এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির উদ্যোগে বুধবার প্রকাশিত হল বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিকল্প বক্তব্য হাজির করা হয়েছে এই বইতে। 'মহামারীর শিক্ষা ও শিক্ষায় মহামারী ' আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ছাত্র-যুব নেতৃত্ব কমরেড মহ: সেলিম।এছাড়াও এদিনের বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচায।বইটি এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির দফতর, জেলা দফতরে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এনবিএ'র বিপণি কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। দাম ২৫ টাকা।প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বামেদের অভিযোগ রয়েছে। এবার সেটাই বই আকারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে এসএফআই।

অক্টোবর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal